বরিশাল

পদ্মা থেকে পায়রা পর্যন্ত উন্নয়নের নেপথ্যের কারিগর আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ্

পদ্মা সেতু থেকে পায়রা বন্দর- প্রায় আড়াইশ কিলোমিটার জুড়ে শুধুই উন্নয়নের জোয়ার লেগেছে। দীর্ঘ এ সড়ক নির্মিত হচ্ছে ৪ লেনে। সাথে সংযোজিত হচ্ছে দক্ষিণের মানুষের স্বপ্নের রেল সংযোগ। আসছে ভোলার গ্যাস। যার মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে উঠবে শিল্পাঞ্চল। গত ৯ বছরের দীর্ঘ প্রচেষ্টায় এমন ঈর্ষণীয় উন্নয়ন ঘটেছে বরিশালে। নগরীর বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের দাবি, এই উন্নয়নের নেপথ্যের কারিগর হচ্ছেন দক্ষিণাঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক পার্বত্য শান্তিচুক্তি বাস্তবায়ন কমিটির আহবায়ক (মন্ত্রী), স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমপি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, পদ্মা সেতুর ২টি স্প্যান ইতোমধ্যে স্থাপন হয়েছে। দ্রুত চলছে এর নির্মাণ কাজ। সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বছর শেষে পুরোপুরি দৃশ্যমান হতে পারে পদ্মা সেতু। পদ্মা সেতুর পাশাপাশি এবার পায়রা বন্দর পর্যন্ত রেল লাইন সংযোগ দেয়ার জন্যও উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ সড়ক হচ্ছে ৪ লেনের। যার ফলে জাতীয় মহাসড়ক হিসেবে পরিণত হতে যাওয়া এ সড়ক থেকে যোগাযোগ মাধ্যম সৃষ্টি হতে যাচ্ছে পটুয়াখালীর পায়রা বন্দরে। বরিশাল চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি সাইদুর রহমান রিন্টু বলেন, “এবারের বাজেটে সরকারকে ভোলার গ্যাস বরিশালে আনা, রেল লাইন স্থাপনের মত গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন কাজে ব্যাপক বরাদ্দ দিতে হবে। কেননা এ অঞ্চলের ব্যাপক উন্নয়ন বাস্তবায়ন হলে আগামী নির্বাচনে দক্ষিণের সব ক’টি আসন পাবে আ’লীগ। আমাদের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ এমন পরিকল্পনা নিয়েই গোটা বরিশাল বিভাগে কাজ করছেন। এ অঞ্চলের এতোসব উন্নয়নে তার অবদান ব্যাপক।”

জানতে চাইলে সম্মিলিত সামাজিক আন্দোলন বরিশাল জেলা কমিটির সদস্য সচিব কাজী এনায়েত হোসেন শিবলু বলেন, এই সরকার দক্ষিণাঞ্চলের যে উন্নয়ন প্রকল্প হাতে নিয়েছে তা ঈর্ষণীয়। প্রধানমন্ত্রী ভোলার গ্যাসও বরিশালে আনার উদ্যোগ নিয়ে বরিশালবাসীর মনের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটিয়েছেন। এ অঞ্চলের সাথে রেলের সম্পর্ক ছিলো না। রেল উন্নয়নের অন্যতম চাবিকাঠি। প্রধানমন্ত্রী এই উদ্যোগও নিয়ে বরিশালবাসীর কাছে আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। রাজনৈতিক নেতৃত্বের কারণে এটি হচ্ছে। বাজেটেও এসব উন্নয়ন সেক্টরে বরাদ্দ থাকতে হবে। তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের এতসব উন্নয়নে হাসানাত ভাইয়ের অবদান অনেক বেশি। হাসনাত ভাই এখন মাঠের রাজনীতিতে নেমে এসেছেন। তিনি এ অঞ্চলের উন্নয়নের দাবি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরছেন।

মহানগর আ’লীগের সভাপতি অ্যাড. গোলাম আব্বাস চৌধুরী দুলাল বলেন, এ অঞ্চলের যত উন্নয়ন দৃশ্যমান তা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। এ অঞ্চল হবে শিল্পাঞ্চল। সিঙ্গাপুরে পরিণত হবে দক্ষিণাঞ্চল তথা বরিশাল। এতো উন্নয়নের পিছনে সাংসদ আবুল হাসানাত আব্দুল্লাহ’র উদ্যোগ রয়েছে ব্যাপক।

এ ব্যাপারে সাংস্কৃতিক সংগঠন সমন্বয় পরিষদের সভাপতি কাজল ঘোষ বলেন, বরিশালবাসী অনেক বেশি আধুনিক এবং পরিশ্রমী। তারা চান এ অঞ্চলের উন্নয়নের গতি আরো বেগবান হোক। পদ্মা থেকে পায়রা পর্যন্ত এতসব উন্নয়ন এ সরকারেরই অবদান। বাজেটে ব্যাপক বরাদ্দের মাধ্যমে এর দ্রুত বাস্তবায়ন ঘটাতে এ অঞ্চলের রাজনৈতিক অভিভাবক আবুল হাসানাত আবদুল্লাহসহ সকল রাজনৈতিক নেতাকে আরও বেশি ভূমিকা রাখতে হবে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...