বরিশাল

চতলবাড়ি বাজারসহ সংযোগ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন

সন্ধ্যা নদীর ভাঙনে বরিশালের উজিরপুর উপজেলা সদরসহ সাতলা সড়কের চতলবাড়ি বাজারসহ সংযোগ সড়ক নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। ফলে উজিরপুর উপজেলা সদরের সঙ্গে  পাঁচটি ইউনিয়নের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ গত এক মাস থেকেই বিচ্ছিন্ন রয়েছে।

সম্প্রতি স্থানীয় সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট তালুকদার মো. ইউনুস সরেজমিনে প্রমত্তা সন্ধ্যা নদীর ভয়াবহ ভাঙনে বিস্তীর্ণ জনপদ বিলিন হওয়ার দৃশ্য প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নদীভাঙন রোধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেন। কিন্তু এমপির নির্দেশ কোন কাজেই আসেনি। গত দুই দিনে চতলবাড়ী বাজারের সর্বশেষ জমিটুকুও নদীগর্ভে বিলিন হয়ে যায়।

উজিরপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ছয় কিলোমিটার পশ্চিমে বরাকোঠা ইউনিয়ন। এ ইউনিয়নের ওপর দিয়ে সাতলা, হারতা, ওটরা, বড়াকোঠা এবং উজিরপুর সদর ইউনিয়নের প্রায় ৫০ হাজার মানুষ প্রতিদিন যাতায়াত করে। স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি সন্ধ্যা নদীর জোয়ারের পানির  অতিরিক্ত চাপে নদী ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। এতে চতলবাড়ী বাজার, আ. মজিদ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, চতলবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, আবু সাঈদ খুদরী জামে মসজিদ, দক্ষিণ নারিকেলী জামে মসজিদ, ডাকঘর, একটি কো-অপারেটিভ ব্যাংক ইতোমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। সেই সঙ্গে  উজিরপুর উপজেলার মানচিত্র থেকে নারিকেলি, সাকরাল, পরমানন্দশাহা তিনটি গ্রাম নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।

উজিরপুর এলজিইডি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উজিরপুর-সাতলা সড়কের সাকড়াল চতলবাড়ী অংশ নদীতে বিলীন হওয়ায় ২০১৩ সালে বিকল্প সড়ক নির্মাণ করা হয়। গত কয়েক দিনের ভাঙনে ওই বিকল্প সড়কটিও নদীতে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সোহরাব হোসেন বলেন, চতলবাড়ী নদী ভাঙন প্রতিরোধে সরকারিভাবে ইতোমধ্যে সংসদ সদস্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং আমরা সংশিষ্ট কর্তৃপক্ষকে একাধিক বার জানিয়েছি। বরাদ্দ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...