গৌরনদী সংবাদ

দৈনিক নয়া দিগন্তে পদোন্নতি পেলেন গৌরনদীর পাভেল

দেশের প্রথম শ্রেনীর জাতীয় দৈনিক নয়া দিগন্তের সাব এডিটর থেকে সিনিয়র সাব এডিটর পদে পদোন্নতি পেলেন বরিশালের গৌরনদীর কৃতি সন্তান হোমনাবাদ গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমান। পদোন্নতির এ আদেশ ১ অক্টোবর ২০১৪ থেকে কার্যকর বলে নয়া দিগন্তের সম্পাদক আলমগীর মহিউদ্দিন স্বাক্ষরিত এক পত্রে জানানো হয়।

মো. মোস্তাফিজুর রহমান ১৯৭২ সালের ২৯ অক্টোবর হোসনাবাদ গ্রামে জন্মগ্রহন করেন। তার পিতা মরহুম আ. মালেক মৃধা গনপূর্ত বিভাগের কর্মকর্তা এবং মাতা আনোয়ারা বেগম হোসনাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষিকা ছিলেন। চার ভাই বোনের মধ্যে মোস্তাফিজুর রহমান সবার বড়।

১৯৮৯ সালে হোসনাবাদ মাধ্যমিক বিদ্যালয় থেকে তিনি এস এস সি এবং ১৯৯১ সালে ঢাকার তেজগাও কলেজ থেকে এইচ এস সি পাস করেন। পরে ঢাকা কলেজ থেকে হিসাববিজ্ঞান বিষয়ে উচ্চ শিক্ষা গ্রহন শেষে সাংবাদিকতায় যোগদান করেন। সাংবাদিকতার উপরে তিনি প্রেস ইনষ্টিটিউট থেকে পোষ্ট গ্রাজুয়েট ডিপ্লোমা ডিগ্রি অর্জন করেন। এ পরীক্ষায় তিনি সারা বাংলাদেশে দশম স্থান অধিকার করেন।

২০০৪ সালে নয়া দিগন্তের মাধ্যমে তিনি তার নিয়মিত সাংবাদিকতা শুরু হলেও লেখালেখির অভ্যাস স্কুল জীবন থেকেই। অনার্সে পড়াকালে তার প্রবন্ধ জাতীয় পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতায় সিরিজ আকারে প্রকাশ হয়। বিভিন্ন দেশের গোয়েন্দা সংস্থা, সামরিক শক্তি, ঐতিহাসিক ও ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, সিকিমের স্বাধীনতা নিয়ে তার প্রকাশিত গবেষনাধর্মী লেখা ব্যাপক আলোচিত ও প্রসংশিত হয়। তিনি বর্তমানে নয়া দিগন্ত ছাড়া মাসিক অনলাইন দিগন্ত, মাসিক নতুন ঢাকা ডাইজেষ্ট, সাপ্তাহিক স্বদেশ খবর, সাপ্তাহিত সোনার বাংলা, কিশোরকন্ঠসহ অনলাইন পত্রিকা নিউজ ইভেন্ট ২৪.কম- এ নিয়মিত লিখছেন। এ পর্যন্ত তার ৫ শতাধিক প্রবন্ধ ও ফিচার বিভিন্ন গনমাধ্যমে প্রকাশিত হয়।

হিমালয়ে পািন ব্যবস্থাপনা নিয়ে এখন তিনি গবেষনা করছেন। শিগগিরই এ সংস্থার প্রবন্ধ গনমাধ্যমে প্রকাশের আশা রাখেন তিনি। লেখালেখি ছাড়াও তিনি প্রায় ৪০ টি প্রমান্য চিত্র নির্মান করেছেন। আবাসন বার্তা নামে দিগন্ত টেলিভিশনে একটি অনুষ্ঠান নির্মান করেছেন তিনি। বর্তমানে তিনি দার্জিলিং ও নেপালে ভ্রমনের উপর দুটি প্রমানচিত্র নির্মান করছেন। এ ছাড়া শিগগিরই তিনি বাংলাদেশের ঐতিহাসিক ও আকর্শনীয় স্থানের উপর প্রমান চিত্র নির্মানরশুরু করবেন। এসব প্রমান চিত্র বিভিন্ন চ্যানেলে প্রচার করা হবে।

ঢাকা টুরিষ্ট ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট মোস্তাফিজুর রহমানের শখ ভ্রমন ও ফুলের বাগান করা। বাংলাদেশের অধিকাংশ জেলা তিনি ভ্রমন করেন। এ ছাড়া তিনি মালয়েশিয়া, থাইল্যান্ড, ভারত, নেপাল ভ্রমন করেছেন। বরিশালের গৌরনদী থানার হোসনাবাদের গ্রামের বাড়িতে তিনি পাভেল নামে বেশী পরিচিত।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...

Leave a Reply