গৌরনদী সংবাদ

গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্যদের গণপদত্যাগের হুমকি

গৌরনদী প্রেসক্লাবের অনুমোদিত গঠণতন্ত্র কার্যকর করা, ২০১৮ সালের ভোটার তালিকা থেকে অসাংবাদিকদের বাদ দেয়া, বেসরকারী টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধিদের সদস্য ও ভোটার করাসহ প্রেসক্লাব নিয়ে স্বেচ্ছাচারীতার প্রতিবাদে প্রেসক্লাবের সদস্যদের এক সভা মঙ্গলবার বেলা এগারোটায় অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গৌরনদী বাসষ্ট্যান্ডস্থ একটি এনজিও’র কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ইত্তেফাক মোঃ জামাল উদ্দিনের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও প্রথম আলোর গৌরনদী প্রতিনিধি জহুরুল ইসলাম জহির, সাবেক সভাপতি, মাই টিভির গৌরনদী প্রতিনিধি মোঃ গিয়াস উদ্দিন মিয়া, সাবেক সভাপতি ও যুগান্তর প্রতিনিধি মোঃ আসাদুজ্জামান রিপন, সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জনকন্ঠ প্রতিনিধি খোকন আহম্মেদ হীরা, সাবেক দপ্তর সম্পাদক ও খবর পত্র’র প্রতিনিধি মণীষ চন্দ্র বিশ্বাস, সহসম্পাদক ও ইনকিলাব প্রতিনিধি বদরুজ্জামান খান সবুজ প্রমুখ।

সভায় বক্তারা বলেন, গৌরনদী প্রেসক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ হানিফ সরদার গত ছয় বছর যাবত ঢাকায় অবস্থান করে ওষুধের ব্যবসা করে আসছেন। দীর্ঘদিন থেকে সে কোন গণমাধ্যমের সাথে জড়িত নেই।

এছাড়া সাবেক সভাপতি খোন্দকার মনিরুজ্জামান মনিরের স্ত্রী আমিনা আকতার সোমা, সাবেক সহ-সভাপতি এইচএম নাসির উদ্দিন, তার কন্যা নারগিস সুলতানাসহ ৫/৬জনকে গঠণতন্ত্র বর্হিভূতভাবে ভোটার করে পরিবার তান্ত্রিক প্রেসক্লাবে পরিনত করেছে।

এছাড়া ২০১৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর গৌরনদী প্রেসক্লাবের বার্ষিক সাধারণ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে গঠণতন্ত্র সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজনে অনুমোদন করা হয়। যাহা পরবর্তী কমিটির কতিপয় ব্যক্তি প্রেসক্লাবের পদ-পদবী ধরে রাখতে তা কার্যকর করতে নানা তালবাহানা করে আসছে বিধায় অদ্যবর্ধি অনুমোদিত গঠণতন্ত্র সংশোধন, সংযোজন ও বিয়োজন করা হয়নি। ওই কতিপয় ব্যক্তি নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য নিজেদের তৈরি করা এক এক সময় এক একটি গঠণতন্ত্র ব্যবহার করে আসছে।

বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান তথ্য প্রযুক্তির আধুনিক যুগে ইলেকট্রনিক্স মিডিয়া (টিভি) দ্রুত সংবাদ প্রকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। ক্ষমতা ধরে রাখতে প্রেসক্লাবের ওই অসাধু কর্মকর্তারা গৌরনদীতে কর্মরত বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের প্রতিনিধিদের প্রেসক্লাবে সদস্য ও ভোটার করছেন না।

এছাড়াও প্রেসক্লাবের ভবন নির্মানের জন্য একাধিকবার জরুরি সভায় একাধিক সিদ্ধান্ত গৃহিত হলেও ওই অসাধু কর্মকর্তাদের চরম গাফিলতির কারণে কোন সিদ্ধান্তই কার্যকর করা হয়নি।

বক্তারা ২০১৬ সালের অনুমোদিত গঠণতন্ত্র কার্যকর করে অসাংবাদিকদের বাদ দিয়ে আগামী ২৯ ডিসেম্বরের মধ্যে সঠিক ভোটার তালিকা করা না হলে গৌরনদী প্রেসক্লাবের সদস্য পদসহ যাবতীয় সম্পর্ক পরিত্যাগ করার ঘোষণা করেন। বিষয়টি ওইদিনই গৌরনদী প্রেসক্লাবের নির্বাচন কমিশনার, সভাপতি ও সম্পাদক বরাবরে লিখিত ভাবে অবহিত করা হয়েছে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...