গৌরনদী সংবাদ

গৌরনদীতে শিক্ষক কর্তৃক শিশু ছাত্রীকে ধষর্ণ চেষ্টা

বরিশালের গৌরনদী উপজেলার বাঘমারা বড়দুলালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আঃ লতিফ খানের বিরুদ্ধে বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী (১১)কে ধর্ষণের চেষ্টা করার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

ঘটনার পর থেকে বখাটে শিক্ষক লতিফ খান গা-ঢাকা দিয়েছে। সে উপজেলার বড়দুলালী গ্রামের বসির খানের ছেলে।

বিষয়টি ধামাচাপা দেয়ার জন্য আ’লীগের প্রভাবশালী ২/৩ জন নেতা মরিয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। নির্যাতিতার পরিবার প্রভাবশালীদের হুমকির মুখে মামলা করতে সাহস পাচ্ছেন না।

নির্যাতিতার মা অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়ে উপজেলার বাঘমারা বড়দুলালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী। আমার মেয়ে ও তার সহপাঠী পিয়া ঘরামী বিদ্যালয় বসে প্রতিদিন সকালে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লতিফ খানের কাছে প্রাইভেট পড়ে আসছিলো।

প্রতিদিনের ন্যায় সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আমার মেয়ে স্কুলে প্রাইভেট পড়তে যায়। সোমবার বেলা পৌণে ১১টার দিকে প্রাইভেট পড়ানোর শেষের দিকে ওই শিক্ষক ৪র্থ শ্রেণীর ছাত্রী পিয়া ঘরামীকে বাড়িতে পাঠিয়ে দিয়ে আরো পড়ানোর কথা বলে আমার মেয়েকে রেখে দেয়।

এরপর বেলা ১১টার দিকে শিক্ষক লতিফ খান আমার মেয়েকে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এ সময় আমার মেয়ে ডাকচিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসলে বখাটে শিক্ষক লতিফ খান পালিয়ে যায়। আমার মেয়ে বাড়ি ফিরে বিষয়টি আমাকেসহ বাড়ির লোকজনকে জানায়।

এরপর আমি মেয়েকে নিয়ে সোমবার সন্ধ্যায় গৌরনদী থানায় মামলা করতে গেলে প্রভাবশালী একটি মহলের চাপে থানা থেকে চলে আসি।

বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ইউপি সদস্য খোকন খান বলেন, শারদীয় দূর্গাপুজা উপলক্ষে স্কুল বন্ধ ছিল। বিষয়টি আমি শুনে খোঁজ খবর নিচ্ছি। ঘটনা সত্য হলে শিক্ষক লতিফ খানের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হবে।

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মনিরুল ইসলাম বলেন, এ ব্যাপারে আমি কিছুই জানি না। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...