বরিশাল

ঈদের ছুটিতে ঘুরে আসুন সাগর কন্যা কুয়াকাটায়

ঈদুল আজহা উপলক্ষে দীর্ঘ ছুটিতে আগত পর্যটকদের বরণ করে নিতে প্রস্তুত প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের লীলাভূমি পর্যটনকেন্দ্র সাগর কন্যা কুয়াকাটা। এবছর পর্যটকদের আকৃষ্ট করতে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান,হোটেল-মোটেল ও রেস্তোরাঁগুলো সংস্কার করে নতুনভাবে সাজিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। এছাড়া পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে পৌর প্রশাসন ও কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ।

হোটেল ব্যবসায়ীরা জানান, আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর মঙ্গলবার ঈদুল আজহা উপলক্ষে টানা ছুটি পেয়ে হোটেলের রুম আগাম বুকিং দিয়েছে পর্যটকরা। কেউ তিন দিন আবার কেউ কেউ চার-পাঁচ দিনের জন্য ভ্রমণে আসতে প্রয়োজনীয় রুম বুকিং করে রেখেছেন। পর্যটন এলাকায় ছোট-বড় শতাধিক হোটেলের বেশিরভাগ রুম ইতোমধ্যে বুকিং হয়ে গেছে। সরকারি কর্মকর্তারা সপরিবারে কুয়াকাটায় ঘুরতে আসবেন বলে পর্যটন এলাকার ডাক-বাংলোগুলোর রুম আগাম বুক করে রেখেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ঈদ পরবর্তী এক সপ্তাহ লক্ষাধিক ভ্রমণ পিপাসুদের পদভারে মুখরিত থাকবে কুয়াকাটা।

পর্যটকরা সাধারণত ভ্রমণের জন্য সুন্দরবনের পূর্বাঞ্চল খ্যাত ফাতরার বন, গঙ্গামতি, লাল কাঁকড়ার চর, কাউয়ার চর, লেম্বুর চর, শুঁটকি পল্লী ঘুরতে যান। এছাড়া সৈকতের জিরো পয়েন্ট থেকে পূর্ব ও পশ্চিমে সমুদ্রের বুকে দীর্ঘ ১৭ কিলোমিটার মনমুগ্ধকর বেলাভূমি। যেখান থেকে দাঁড়িয়ে দেখা যায় সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের অপরূপ দৃশ্য। ভ্রমণে আসা অতিথিদের সব ধরনের সহযোগিতার জন্য নিয়োজিত ট্যুরিস্ট সেন্টারগুলো।

আভিজাত হোটেল বিচ হ্যাভেনের রুম ডিভিশনের ইনচার্জ বায়েজিদ আহমেদ বলেন,‘তিন চার ও পাঁচ দিনের জন্য আমাদের প্রায় শতভাগ ভাগ রুম আগাম বুক হয়ে গেছে।

কুয়াকাটা হোটেল মোটেল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশেনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব শরীফ বলেন, পটুয়াখালী থেকে কুয়াকাটা পর্যন্ত সড়ক উন্নয়ন এবং ফেরিঘাট এলাকায় তিনটি ব্রিজ হওয়ায় ঈদের ছুটিতে লক্ষাধিক পর্যটক সমাগম হবে।

কুয়াকাটা পৌর আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র আব্দুল বারেক মোল্লা বলেন, ইতোমধ্যে আমরা সংশিষ্ট সবাইকে নিয়ে পর্যটকদের নিরাপত্ত্বাসহ সব বিষয়ের কথা মাথায় রেখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছি।

কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশ জোনের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মীর ফসিউর রহমান জানান, ১৩ সেপ্টেম্বর থেকে ১৮ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পর্যটন এলাকা জুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। পুলিশের টহলরত একটি ভ্রাম্যমাণ দল সার্বক্ষণিক পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য নিয়োজিত থাকবে। একই সঙ্গে গোয়েন্দা সদস্যদের একটি দল মাঠে থাকবে। পর্যটকদের সতর্কভাবে সাগরে গোসল করার জন্য জিরো পয়েন্টে মাইকিং এর মাধ্যমে প্রচারণা চালানো হবে। এছাড়া সাগরে পর্যটকদের নিরাপদ রাখতে স্পিড বোট ও ওয়াটার ব্যবস্থা রাখা হবে।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

আরো পোষ্ট...

Leave a Reply