লাইফ ও সাইন্স

হৃৎপিণ্ডের সুস্থতায় অত্যন্ত জরুরী ও স্বাস্থ্যকর খাবার

ইদানীং অনেককেই বেশ কম বয়সে হৃৎপিণ্ডের নানা সমস্যায় ভুগতে দেখা যায়। এর মূল কারণ হিসেবে ধরা যায় অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান ও মদ্যপানের মতো বাজে অভ্যাস এবং সঠিক যত্ন না নেয়া। খুব সামান্যতেই আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেমে প্রভাব পড়ে আমাদের এই বাজে অভ্যাসগুলোর। ফলশ্রুতিতে আমরা হয়ে পরই শারীরিকভাবে অসুস্থ।

হৃৎপিণ্ড আমাদের বেঁচে থাকার জন্য সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হওয়া সত্ত্বেও আমাদেরই ভুলে আমরা এর কর্মক্ষমতা নষ্ট করে ফেলি। অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে হৃৎপিণ্ড ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা। তাই হৃৎপিণ্ডের সঠিক যত্ন নেয়া জরুরি। আজকে চলুন দেখে নেয়া যাক হৃৎপিণ্ডের সুস্থতায় যে খাবারগুলো অত্যন্ত জরুরি তার একটি তালিকা।

আপেল

কথায় বলে প্রতিদিন ১ টি আপেল খেলে ডাক্তারের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন পড়ে না। এর কারণ হচ্ছে কুয়েরসেটিন নামক একধরণের ফোটোকেমিক্যাল যার রয়েছে অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটোরি উপাদান সমূহ। আপেল আমাদের দেহের শিরাউপশিরায় জমে থাকা রক্ত দূর করতে সহায়তা করে এবং হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা করে।

কাঠবাদাম

দেহের খারাপ কোলেস্টোরল দূর করতে কাথবাদামের জুড়ি নেই। এছাড়াও কাথবাদামে রয়েছে ভিটামিন বি১৭, ই এবং জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, মনোস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষায় কাজ করে।

টমেটো

নানা পুষ্টিগুণে ভরপুর টমেটো রক্ত শুদ্ধিকরণ খাদ্য হিসেবে কাজ করে। প্রতিদিন ১ টি মাত্র টমেটো খাওয়া হৃৎপিণ্ডের জন্য অত্যন্ত জরুরি। এটি রক্তের সমস্যা দূর করে, কোলেস্টোরল নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হৃৎপিণ্ডের কর্মক্ষমতা বাড়ায়।

ওটস

ওটস সবচাইতে স্বাস্থ্যকর খাবার যা হৃৎপিণ্ডকে নানা ধরণের সমস্যা থেকে মুক্ত রাখে। গবেষণায় দেখা যায় সকালের নাস্তা হিসেবে যারা ওটস নির্বাচন করেন তারা অন্নান্নদের তুলনায় কম হৃদপিণ্ডের সমস্যায় ভুগে থাকেন। ওটসের বেটা গ্লুকোন দেহের খারাপ কোলেস্টোরল দূর করতে বেশ বড় ভূমিকা পালন করে থাকে।

সবুজ শাকসবজি

সবুজ শাকসবজি নানা ধরণের রোগের বিরুদ্ধে আমাদের দেহের ইমিউন সিস্টেমকে উন্নত করতে সহায়তা করে। এর পাশাপাশি কার্ডিওভ্যস্কুলার যে কোনো সমস্যা থেকে আমাদের দেহকে মুক্ত রাখতে সহায়তা করে হৃৎপিণ্ড সুরক্ষা করে। এছাড়াও ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগ থেকেও আমাদের রক্ষা করে। সবুজ শাকসবজির ফাইবার, ফলিক এসিড, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম ও ক্যালসিয়াম হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি প্রায় ১১% পর্যন্ত কমিয়ে দেয়।


ফেসবুকে মন্তব্য করুন :

টি মন্তব্য
মন্তব্যে প্রকাশিত যেকোন কথা মন্তব্যকারীর একান্তই নিজস্ব। Gournadi.com-এর সম্পাদকীয় অবস্থানের সঙ্গে এসব অভিমতের কোন মিল নেই। মন্তব্যকারীর বক্তব্যের বিষয়বস্তু বা এর যথার্থতা নিয়ে Gournadi.com কর্তৃপক্ষ আইনগত বা অন্য কোনো ধরনের কোনো দায় নিবে না

Tags

আরো পোষ্ট...